ঢাকা বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস
শিরোনাম
  • ক্যাম্পাস
  • অধ্যাদেশ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ছেন না সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা, দ্বিতীয় দিনেও সাইন্সল্যাব অবরোধ

অধ্যাদেশ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ছেন না সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা, দ্বিতীয় দিনেও সাইন্সল্যাব অবরোধ

'মুজিববর্ষে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে'

ঢাকা কলেজ প্রতিনিধি : ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর সাইন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরের পর থেকে চলমান এই কর্মসূচিতে আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে এবং তীব্র ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী।

 

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সাইন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ শুরু করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এতে নিউমার্কেট, কলাবাগান, ধানমন্ডি ও নীলক্ষেতগামী সড়কগুলোতে যান চলাচল কার্যত অচল হয়ে যায়।

 

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছেন।

 

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে ইতোমধ্যেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশাসনিক উৎকর্ষ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই এই অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি গ্রহণ এবং আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিং শেষে এটি উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

 

অবরোধে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ওমর ফারুক বলেন, ২০১৭ সালে ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি থেকে সাত কলেজকে বাদ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। ওই সিদ্ধান্তের পর থেকেই শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘রেজাল্ট নেওয়ার জন্য আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হয়। সেখানে গেলে বলা হয় রেজিস্ট্রার ভবনে যান, রেজিস্ট্রার ভবনে গেলে বলা হয় কলেজে যান। কলেজে গেলে বলা হয় বোর্ডের অধীনে, তাদের কোনো দায়িত্ব নেই। এভাবে আমাদের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরানো হচ্ছে।’

 

তিনি আরও বলেন, এই সংকটের প্রতিবাদ জানালে সরকার একটি আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় এবং তার নাম দেয় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি। ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হলেও এখনো চূড়ান্ত অধ্যাদেশ না দিয়েই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে, যা কতটা বৈধ তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

ওমর ফারুক বলেন, ‘ইউনিভার্সিটি কার্যক্রম শুরুর পরও তারা বারবার টালবাহানা করে অধ্যাদেশের তারিখ পিছিয়ে দিচ্ছে। আমরা ক্লাস করতে পারি না, রেজাল্ট পাই না। এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান হিসেবে আমরা এখন একটাই দাবি করছি—রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।’

 

 

 

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস //এএস