ঢাকা মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস
শিরোনাম
  • ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের মিছিলে বাধা, সাইন্সল্যাব মোড়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতিতে সমবেদনা জানালেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান আসমানেই ফয়সালা, তারেকই আগামীর প্রধানমন্ত্রী তালতলীতে ধানের শীষের সভায় আমান উল্লাহ আমান ঢাকা-১৭ আসনে ভোটের সমীকরণ বদলাচ্ছে জরিপে বিএনপি-জামায়াত মুখোমুখি জামায়াত ইসলামীর পলিসি ডিবেট নিয়ে যা বলল বিএনপি মিরপুরে মহিলা জামায়াতের বিশাল নির্বাচনী মিছিল নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরসহ আহত ৪০ এক নজরে গণভোট; 'হ্যাঁ' নাকি 'না' ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন তারেক রহমান
    • জাতীয়
    • জাগতিক সকল চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে ওসমান হাদি হত্যার ন্যায় বিচার ; শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী

    জাগতিক সকল চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে ওসমান হাদি হত্যার ন্যায় বিচার ; শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী

    'মুজিববর্ষে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে'

    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস ডেস্ক : ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ফের সরব হয়েছেন তার স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

     

    ফেসবুক স্ট্যাটাসে রাবেয়া ইসলাম শম্পা বলেন, “রাষ্ট্রের কাছে আমি এবং আমার সন্তানের একমাত্র দাবি—আমার স্বামী শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার।”

    তিনি আরও বলেন, “জাগতিক সব চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে ওসমান হাদি হত্যার ন্যায়বিচারই আমার একমাত্র প্রত্যাশা।”

     

    রাবেয়ার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকেই তার এই দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন।

     

    উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ওসমান হাদি (৩২) গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হন। হামলার সময় তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিন দিন পর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।

     

    তবে চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

     

    গত ২০ ডিসেম্বর লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জাতীয় কবির সমাধি পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। শহীদ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবিতে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনও তীব্র প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

     

     

    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস //এএস