ঢাকা বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস
শিরোনাম
  • রাজনীতি
  • 'এটাই শেষ সতর্কতা’—নির্বাচনী সভায় ম্যাজিস্ট্রেটকে লক্ষ্য করে রুমিন ফারহানা

'এটাই শেষ সতর্কতা’—নির্বাচনী সভায় ম্যাজিস্ট্রেটকে লক্ষ্য করে রুমিন ফারহানা

'মুজিববর্ষে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে'
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে আঙুল তুলে কথা বলেন স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস ডেস্ক : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা ঘিরে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সভা বন্ধ, এক সমর্থককে আটক নির্দেশ এবং জরিমানাকে কেন্দ্র করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে প্রকাশ্য বাকবিতণ্ডায় জড়ান তিনি। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সভা আয়োজন করা হচ্ছিল—এমন দাবি তুলে বক্তব্য বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং মাইক্রোফোন ধরে রাখা এক যুবককে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান বলেন, 'নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সমাবেশ করা হচ্ছিল। বিধি অনুযায়ী সেটি বন্ধ করা হয়েছে। পরে আয়োজককে জরিমানা করা হয়। ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় ওই প্রার্থী আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।’

 

সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু বকর সরকার বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধির ১৮ ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।’

 

এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, রুমিন ফারহানা সভাস্থলে পৌঁছানোর পর সেখানে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তাকে বক্তব্য বন্ধ করে মঞ্চ থেকে নামতে বলেন। এ সময় মাইক্রোফোন ধরে রাখা এক যুবককে আটক করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করে মঞ্চ থেকে নামার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন রুমিন ফারহানা। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এক্সকিউজ মি স্যার… দিস ইজ দ্য লাস্ট টাইম আই ওয়ার্নিং ইউ। আই উইল নট লিসেন টু দিস।’

 

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলতে শোনা যায়।

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন অভিযোগ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা একই ধরনের আচরণ করলেও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না। এর প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানাকে বৃদ্ধাঙ্গুল উঁচিয়ে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়।

 

তিনি বলেন, ‘এই রকম দেখায় আপনাদেরকে। প্রশাসনে বসে আছেন, খোঁজ নেন।’

এছাড়া তিনি আরও বলেন, 'আজকে শুনছি। আঙুল তুলে বলে গেলাম, ভবিষ্যতে আর শুনব না। আমি যদি না বলি, এখান থেকে বের হতে পারবেন না। আমি রুমিন ফারহানা, কোনো দল লাগে না আমার।’

 

এর আগে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত রুমিন ফারহানার এক সমর্থক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

 

 

 

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস //এএস