ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস
শিরোনাম
  • ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নেতা রাশেদুল আমিনের উদ্যোগে ফলচক্র অনুষ্ঠিত ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ ঢাকা কলেজে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সংশোধনের দাবিতে ডিসিইউ শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন ঢাকা কলেজের সাবেক ছাত্রদল নেতা রিয়াজ ‘জুলাইয়ের গ্রাফিতি অংকনে পুলিশ কেন বাধা দেয়’ ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউটের প্রধান লিডার হলেন শোভন জুলাই সনদ নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে রাবি ছাত্রদলের লিফলেট বিতরণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের থেকে বেতন নিলে নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা জুলাই গ্রাফিতি ঘিরে চট্টগ্রামে উত্তেজনা নতুন পে-স্কেল কার্যকরের নীতিগত সিদ্ধান্ত
    • রাজনীতি
    • এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    'মুজিববর্ষে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে'

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘আপাদমস্তক নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী’ বলে মন্তব্য করায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের এমপি ও ইসলামি বক্তা আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জ আদালত।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতের বিচারক সুমন ভুঁইয়া এই নির্দেশ দেন।

    ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২৭ মার্চ। কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সময় এমপি আমির হামজা অভিযোগ করেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক এখানে বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।


    এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল এমপি আমির হামজাকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, তার এমন বক্তব্যে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। নোটিশে তাকে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল জেলা প্রশাসক ঠিক কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই টাকা দিয়েছেন, তার নাম প্রকাশ করতে হবে।

    নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ বা তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত আজ তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। আইন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এমন মন্তব্য করা আইনত দণ্ডনীয় এবং এটি সরকারি চাকরিজীবীদের মর্যাদাহানি করে।

    মামলার আইনজীবী আব্দুল মজিদ জানান, একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন অসংলগ্ন বক্তব্য কাম্য নয়। সরকার যখন দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে, তখন প্রশাসনের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ তোলার আগে অবশ্যই পর্যাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ থাকা প্রয়োজন। প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর কারণেই আদালত এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন।


    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস/আরএইচ