ঢাকা বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস
শিরোনাম
  • তাসনীম জারার নির্বাচনী ব্যানার ছিড়লেন দুর্বৃত্তরা তাসনীম জারার নির্বাচনী ব্যানার ছিড়লেন দুর্বৃত্তরা তাসনীম জারার নির্বাচনী ব্যানার ছিড়লেন দুর্বৃত্তরা দুর্নীতিবাজ-চাঁদাবাজরা ইসলাম নিয়ে ভয় দেখায়: ইসলামী আন্দোলন খুলনায় ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মীদের ওপর হামলা অনুমোদনহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ যেকোনো সময়  কোচিং সেন্টার ও নোট-গাইড নিয়ে কঠোর নির্দেশনা ২৪৯ জন হাই-প্রোফাইল ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানের অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক নয়: টিআইবি জাতীয়তাবাদের কথা বলে কিন্তু বিদেশি নাগরিকদের প্রার্থী করছে: আসিফ মাহমুদ কর্মজীবী নারীদের অপমানের প্রতিবাদে ঝাড়ু মিছিল
    • শিক্ষা
    • অনুমোদনহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ যেকোনো সময় 

    অনুমোদনহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ যেকোনো সময় 

    'মুজিববর্ষে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে'

    রাষ্ট্র, নৈতিকতা ও আইনবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত কিংবা সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেছে সরকার। 

    সংশ্লিষ্ট শিক্ষা আইনের খসড়ায় বিবিধ ধারায় বলা হয়েছে, বিনা অনুমোদনে পরিচালিত যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকার যেকোনো সময় বন্ধ করে দিতে পারবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের সুরক্ষায় বিষয়টি এই আইনের খসড়ায় যুক্ত হওয়ার বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত আইনের খসড়া থেকে জানা গেছে।

    আইনে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি রাষ্ট্রবিরোধী, নৈতিকতাবিরোধী বা আইন পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকে অথবা সরকারের কোনো বৈধ আদেশ পালন করতে অস্বীকার করে কিংবা ব্যর্থ হয়, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ, পাঠদানের অনুমতি, অধিভুক্তি, স্থাপনের অনুমতি, পরিচালনা সনদ ও একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত বা বাতিল করা যাবে।

    এছাড়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা পরিচালনা কমিটির অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা ব্যর্থতার কারণে যদি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় বলে সরকারের কাছে প্রতীয়মান হয়, সে ক্ষেত্রে সরকার নতুন প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা নতুন পরিচালনা কমিটি কিংবা উভয়ই নিয়োগ দেয়ার ক্ষমতা রাখবে।আইনে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। কোনো শিক্ষক শিক্ষার্থীকে শারীরিক শাস্তি বা মানসিক নিপীড়ন করতে পারবেন না। এ ধরনের আচরণ অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    তবে শিক্ষার্থীর কল্যাণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিচালনার স্বার্থে শিক্ষক যৌক্তিক শৃঙ্খলামূলক অনুশাসন করতে পারবেন এবং এ বিষয়ে অভিভাবককে অবহিত করা যাবে। একই সঙ্গে সরল বিশ্বাসে শিক্ষার্থীর মঙ্গল বিবেচনায় নেওয়া শৃঙ্খলামূলক সিদ্ধান্তের জন্য শিক্ষককে দায়ী করা যাবে না বলেও আইনে উল্লেখ রয়েছে।

     

     

     

    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস/ এমটি