ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রশিবিরের সংহতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন এবং ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ সংহতি ও দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল প্রশাসনিক বৈষম্য ও দীর্ঘসূত্রতার অবসান। অথচ দুঃখজনকভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়ন ও অংশীজনদের মতামত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও অজ্ঞাত কারণে তা এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এর ফলে সাত কলেজের লাখো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
নেতারা আরও বলেন, প্রশাসনিক এই স্থবিরতা শুধু শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে না, বরং তাদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়িয়ে তুলছে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি নিয়ে এভাবে কালক্ষেপণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাত কলেজের সংকট নিরসনে একটি স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও সমন্বয়হীনতার বোঝা শিক্ষার্থীরা আর বহন করতে চায় না। তাই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে, যার সম্পূর্ণ দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।
নেতারা বলেন, ন্যায্য অধিকার আদায়ে শিক্ষার্থীদের রাজপথে নামতে বাধ্য হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা প্রকাশের পাশাপাশি তারা সাধারণ মানুষের জানমাল ও জনভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সংযমী ও দায়িত্বশীল কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।
বিবৃতির শেষে ছাত্রশিবির নেতারা আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার দ্রুত সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে অধ্যাদেশ জারি করবে এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনবে।
প্রতিদিনের ক্যাম্পাস //এএস