ঢাকা রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস
শিরোনাম
  • 'এটাই শেষ সতর্কতা’—নির্বাচনী সভায় ম্যাজিস্ট্রেটকে লক্ষ্য করে রুমিন ফারহানা জাগতিক সকল চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে ওসমান হাদি হত্যার ন্যায় বিচার ; শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রশিবিরের সংহতি অধ্যাদেশ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ছেন না সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা, দ্বিতীয় দিনেও সাইন্সল্যাব অবরোধ ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারিতে আর কত সময় লাগবে যা জানা গেল অধ্যাদেশের দাবিতে ব্লকেড কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের সাত কলেজের অবরোধ কর্মসূচীতে তীব্র যানজট সৃষ্টি, ভোগান্তিতে সাধারণ জনগণ ১১ দলীয় জোটের আসন বণ্টন নিয়ে অগ্রগতি, দু-এক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ইঙ্গিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পরিত্যক্ত ব্যাগে মিলল দুই ওয়ান শুটারগান ও গুলি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত 
    • জাতীয়
    • জাগতিক সকল চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে ওসমান হাদি হত্যার ন্যায় বিচার ; শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী

    জাগতিক সকল চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে ওসমান হাদি হত্যার ন্যায় বিচার ; শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী

    'মুজিববর্ষে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে'

    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস ডেস্ক : ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ফের সরব হয়েছেন তার স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি রাষ্ট্রের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

     

    ফেসবুক স্ট্যাটাসে রাবেয়া ইসলাম শম্পা বলেন, “রাষ্ট্রের কাছে আমি এবং আমার সন্তানের একমাত্র দাবি—আমার স্বামী শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার।”

    তিনি আরও বলেন, “জাগতিক সব চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে ওসমান হাদি হত্যার ন্যায়বিচারই আমার একমাত্র প্রত্যাশা।”

     

    রাবেয়ার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকেই তার এই দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন।

     

    উল্লেখ্য, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ ওসমান হাদি (৩২) গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হন। হামলার সময় তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিন দিন পর তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।

     

    তবে চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

     

    গত ২০ ডিসেম্বর লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জাতীয় কবির সমাধি পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। শহীদ ওসমান হাদি হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবিতে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনও তীব্র প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

     

     

    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস //এএস