ব্যাংক সুদ থেকে বছরে প্রায় ২৩ হাজার টাকা আয় করেন গিয়াসউদ্দিন তাহেরি

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস ডেস্ক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে আলোচিত ইসলামি বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরির সম্পদের বিবরণ উঠে এসেছে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায়। সেখানে দেখা যায়, তার প্রধান আয়ের উৎস ওয়াজ মাহফিল, কৃষি ও ব্যাংক সুদ।তিনি ব্যাংক সুদ থেকে বছরে প্রায় ২৩ হাজার টাকা আয় করেন। এছাড়াও নিজের নামে ৩১ ভরি স্বর্ণসহ অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করেছেন তিনি।
ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরির বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। তবে হবিগঞ্জের মাধবপুরে শ্বশুরবাড়ি থাকায় সেখান থেকেই তিনি প্রার্থী হয়েছেন।
হলফনামা অনুযায়ী, তাহেরির বিরুদ্ধে বর্তমানে তিনটি মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলাই দায়ের হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এবং সেগুলো বিচারাধীন।
পেশায় তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তাহেরি জানান, ব্যবসা বলতে মূলত তিনি যে ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য দেন, সেখান থেকেই তার আয় হয়। এ খাত থেকে তার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা। কৃষি খাত থেকে বছরে আয় ২৬ হাজার ৪শ টাকা এবং ব্যাংক সুদ থেকে পান ২২ হাজার ৮৯২ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের হিসাবে তার হাতে নগদ রয়েছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা এবং ব্যাংকে জমা আছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা।
স্বর্ণ ও গহনা বিষয়ে তাহেরি বলেন, নিজের নামে রয়েছে ৩১ ভরি স্বর্ণ, যার মূল্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ টাকা। এই স্বর্ণ মূলত তার স্ত্রী ও মেয়েরা ব্যবহার করেন। বিভিন্ন সময় উপহার হিসেবে পাওয়া এবং পরিবারের প্রয়োজনে কেনা স্বর্ণ নিজের নামেই রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান। এছাড়া আসবাবপত্রের মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ লাখ টাকা।
স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে তিনি বলেন, পরিবারের প্রধান হওয়ায় সব সম্পত্তিই তার নামেই কেনা হয়েছে। তার কৃষিজমির মূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, যার বর্তমান বাজারমূল্য হিসাব করা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।
হলফনামায় দেওয়া তথ্য প্রসঙ্গে তাহেরি বলেন, “আমি যে তথ্য দিয়েছি সবই সত্য। আমার আয় মূলত ওয়াজ মাহফিল থেকেই হয়। স্বর্ণসহ অন্যান্য সম্পদ আমার পরিবার ব্যবহার করে, তবে সবকিছু নিজের নামেই দেখানো হয়েছে।”
প্রতিদিনের ক্যাম্পাস //এএস