ঢাকা শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস
শিরোনাম
  • ফেনীতে ২৫ ভোটের ব্যবধানে বিএনপি নেতার বিজয়ের পর জাময়াত নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ ঢাকা-৮ আসনের ৬ কেন্দ্রের ফল নিয়ে অভিযোগ, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ধানের শীষ প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়ে শিশির মনির পোস্ট ধানের শীষ প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়ে শিশির মনির পোস্ট মির্জা আব্বাসের আসনে এগিয়ে নাসিরুদ্দিন পাওয়ারী ঢাকা-১৫ আসনের এক কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে শফিকুর রহমান ঢাকা ১৩ আসনে ৩ কেন্দ্রে ববি হাজ্জাজ থেকে এগিয়ে মামুনুল হক তিন আসনের ভোট স্থগিত চেয়ে শতাধিক প্রমাণ নিয়ে ইসিতে জামায়াত হাসনাত আব্দুল্লার আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ট্রাক মার্কার ভোট বর্জন সালাহউদ্দিন আহমদের আসনে জামায়াত প্রার্থীর গাড়িবহরে হামলা, সাংবাদিকসহ আহত ৩
    • সারাদেশ
    • ফেনীতে ২৫ ভোটের ব্যবধানে বিএনপি নেতার বিজয়ের পর জাময়াত নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ

    ফেনীতে ২৫ ভোটের ব্যবধানে বিএনপি নেতার বিজয়ের পর জাময়াত নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ

    'মুজিববর্ষে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে'

    ফেনীর সোনাগাজীতে নির্বাচনের ফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নেতাকর্মীদের বাড়ি-ঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, ফলাফল ঘোষণার পর উত্তেজনার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    বৃহস্পতিবার রাতে সোনাগাজী উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ফেনী-৩ আসনের পাইকপাড়া কেন্দ্রে মাত্র ২৫ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বিজয়ী হন। ফল ঘোষণার পরপরই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি স্থানে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

    ভুক্তভোগী বগাদানা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি জাবেদ অভিযোগ করে বলেন, “মাত্র ২৫ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করায় তারা আমার বাড়ি ও দোকানে হামলা চালিয়েছে। মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে।”

    এছাড়া বগাদানা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আবদুল হাইয়ের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ রয়েছে। একই কেন্দ্রের জামায়াতের এজেন্ট আতা উল্লাহর বাবার দোকান এবং কর্মী নূরে এলাহীর দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও জানান স্থানীয়রা।

    অভিযোগ রয়েছে, মসজিদ থেকে নামাজ শেষে বের হওয়া জামায়াতের কয়েকজন সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি কেন্দ্রের এজেন্ট মাসুমের দোকানেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলায় বিএনপি নেতাকর্মী ইউসুফ, তুষার, জাবেদ স্বপন ও রুবেলের নেতৃত্ব ছিল বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

    তবে অভিযুক্তদের কেউ কেউ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তুষার নামের এক বিএনপি নেতা মুঠোফোনে বলেন, “আমি জানি না, বহিরাগত কারা হামলা করেছে।” অপরদিকে ইউসুফ বলেন, “ফলাফল ঘোষণার সময় আমি বাড়িতেই ছিলাম, এখনো আছি। এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।”

    সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, “হামলা-ভাঙচুরের বিষয়টি শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    স্থানীয়দের দাবি, হামলার সময় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয় এবং বিস্ফোরণের মতো শব্দ শোনা যায়। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

     

     

     

    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস //এএস