ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস
শিরোনাম
  • অবরুদ্ধ জামায়াত নেতাকে না উদ্ধার করলেন এনসিপির নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু সিদ্ধিরগঞ্জ কেন্দ্রের ব্যালট প্রস্তুতি নিয়ে অভিযোগ, অনিয়মের প্রমাণ মেলেনি ভোটকেন্দ্রের সামনে টাকা বিতরণের অভিযোগ, জামায়াত নেতা হাবিবের দুই দিনের কারাদণ্ড ভোটযাত্রায় ঈদের ঢল: বাস–ট্রেন সংকটে রাজধানী ছাড়ছেন লাখো মানুষ, ভাড়ায় নৈরাজ্য প্রথমবার ভোট দেবেন নাজনীন নীহা, শুটিং ব্যস্ততার মাঝেও কেন্দ্রে যাওয়ার প্রত্যয় নির্বাচনের দিন ভোট দিবেন যেভাবে  টিচার্স ট্রেনিং কলেজে ছাত্রদলের অবৈধভাবে হল দখল, চলছে মাদকদ্রব্য সেবন ও বিক্রির কারবারও ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের মিছিলে বাধা, সাইন্সল্যাব মোড়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতিতে সমবেদনা জানালেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান আসমানেই ফয়সালা, তারেকই আগামীর প্রধানমন্ত্রী তালতলীতে ধানের শীষের সভায় আমান উল্লাহ আমান
    • সারাদেশ
    • অবরুদ্ধ জামায়াত নেতাকে না উদ্ধার করলেন এনসিপির নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু

    অবরুদ্ধ জামায়াত নেতাকে না উদ্ধার করলেন এনসিপির নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু

    'মুজিববর্ষে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে'

    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস ডেস্ক : ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় এক জামায়াত নেতাকে অবরুদ্ধ করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অবরুদ্ধ নেতার মেয়ের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু। সেখানে গিয়ে তিনি ও তার সঙ্গে থাকা লোকজনও নাজেহালের শিকার হন বলে জানা গেছে। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি দৃঢ় অবস্থান নিয়ে ওই জামায়াত নেতাকে উদ্ধার করেন।

     

    বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ ঘটনার জন্য বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের দায়ী করেন। ফেসবুক স্ট্যাটাসে ডা. মিতু লেখেন, ‘কাঁঠালিয়ায় ধরে ধরে জামায়াত নেতাদের অবরুদ্ধ করে ফোন চেক হচ্ছে, মারা হচ্ছে, পকেট চেক করা হচ্ছে। খুচরা টাকা নিয়ে যাচ্ছে ছাত্রদল। এটা সকালের মিডিয়া ট্রায়ালের ফল।’

     

    তিনি আরও বলেন, ' জামায়াতের নেতাদের উপরে রাগ লাগে মাঝে মধ্যে মনে হয় এদের জন্ম হইছে মাইর খাওয়ার জন্য। এত নরম হইলে আসলে রাজনীতি করে মাইর খেয়ে লাভ কি? আজকে যাকে বের কর আনছি তার মেয়ে যদি আমাকে ফোন না দিতো তাহলে হয়তো আজ রাতে অবরুদ্ধই থাকতো। তার মেয়েকে ও সে ফোন দেয়ার সুযোগ পায় নি। মেয়েটাকে পাশের বাড়ির আর এক মেয়ে ফোন করছে যে তারাতাড়ি আসো তোমার বাবাকে মারতেছে। উনার মেয়ে কাঁদতে কাদঁতে আমাকে ফোন দেয়, আব্বুকে মেরে ফেললো, আপু ,আপনি কই। আমি ফিল্ডে আসছি শুনি বলে জামায়াতের মায়েরে * ওগো যেহানে পাবি আইজ ধইরা আটকাইয়া নলা ভাংবি। সকালেও এক ছেলেকে মারছে চর থাপ্পড় দিছে।'

     

     

     

     

    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস //এএস