মাত্র ৮ মিনিট সময় কেড়ে নিল বাদশার সংসদ সদস্য হওয়ার স্বপ্ন

মাত্র ৮ মিনিট দেরি—এই সামান্য সময়ের ব্যবধানেই হারিয়ে গেল সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার স্বপ্ন। শেরপুর–২ (নকলা–নালিতাবাড়ী) আসনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মনোনীত প্রার্থী প্রত্যাশী আব্দুল্লাহ বাদশা নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পেরে ইউএনও কার্যালয়েই অঝোরে কাঁদতে থাকেন।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ বাদশা উপস্থিত হন ৫টা ৮ মিনিটে।
জানা গেছে, তিনি বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে নালিতাবাড়ী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও রেজওয়ানা আফরীনের কার্যালয়ে এসে তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপস্থিত না হওয়ায় ইউএনও তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান।
এ সময় ইউএনওকে দেরির কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বারবার অনুরোধ জানান মনোনয়নপত্রটি গ্রহণ করার জন্য। একপর্যায়ে আবেগ সামলাতে না পেরে ইউএনওর কক্ষেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বাদশা।কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, ‘আমি পাঁচটার মধ্যেই আসছিলাম। রাস্তায় গাড়ির একটু সমস্যা হয়েছিল। বারবার ফোনও দিয়েছি। আমাকে একটু দয়া করুন।’
তবে ইউএনও রেজওয়ানা আফরীন বিষয়টি আইনগত বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করে জানান,
— ‘প্রার্থীর চোখের পানি আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমার কিছু আইনগত দায়িত্ব রয়েছে। এর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিকেল পাঁচটার পর কোনোভাবেই মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা যায় না।’
মাত্র আট মিনিটের দেরিতে মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পারায় হতাশা আর কান্নায় ভেঙে পড়া আব্দুল্লাহ বাদশার এই দৃশ্য স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রতিদিনের ক্যাম্পাস //এএস