ঢাকা বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

প্রতিদিনের ক্যাম্পাস
শিরোনাম
  • ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারিতে আর কত সময় লাগবে যা জানা গেল অধ্যাদেশের দাবিতে ব্লকেড কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের সাত কলেজের অবরোধ কর্মসূচীতে তীব্র যানজট সৃষ্টি, ভোগান্তিতে সাধারণ জনগণ ১১ দলীয় জোটের আসন বণ্টন নিয়ে অগ্রগতি, দু-এক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ইঙ্গিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পরিত্যক্ত ব্যাগে মিলল দুই ওয়ান শুটারগান ও গুলি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত  আগামীকাল মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা, চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের পাশেই দাফন নকলের অভিযোগে কুমিল্লার কামিল মাদ্রাসার পরীক্ষা কেন্দ্র স্থগিত ২০ দিনে প্রবাসী আয় ২৬৪৯৮ কোটি টাকা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগের আলটিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের
    • রাজনীতি
    • ঢাবি কোরামের সমালোচনা করায় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা ইমরান নাজিরকে বহিষ্কার

    ঢাবি কোরামের সমালোচনা করায় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা ইমরান নাজিরকে বহিষ্কার

    'মুজিববর্ষে বাংলাদেশ-নেপাল সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে'

    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস ডেস্ক : জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি কোরামের সমালোচনা করায় সংগঠনের নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান নাজিরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

     

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় ছাত্রশক্তি, গঠনতন্ত্রের ধারা ৬.৪.৭ অনুযায়ী সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নীতিমালা ও নির্দেশনার অমান্য করায় কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান নাজিরকে ধারা ৬.৬.৪ মোতাবেক কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের নির্দেশক্রমে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।

     

    জানা যায়, ঢাবি কোরামের সমালোচনা করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়ার কারণে ইমরান নাজিরকে প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওই সমালোচনার জের ধরেই তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

     

    বহিষ্কারের বিষয়ে ইমরান নাজির জানান, গতকাল আমাদের এনসিপি ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র শক্তির ভিতরে চলমান দাবি কোরামের অপরাজনীতি ও একপাক্ষিক আচরণ নিয়ে আমি গঠনমূলক সমালোচনা করি। এর জেরে সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাকে ফেসবুকে একটি অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করি যে, আমার বক্তব্যে আমি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করিনি, কটু ভাষা ব্যবহার করিনি কিংবা কারো চরিত্রহানির চেষ্টা করিনি। আমার পোস্টে এমন কোনো অভিযোগযোগ্য বিষয় নেই। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর অহংকার, গোড়ামি ও ঢাবি কমিটি কেন্দ্রিক সিন্ডিকেটের সমালোচনা করাই যেন আমার ‘অপরাধ’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নৈতিকতার কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই। 

     

    তিনি আরও বলেন, এই অবস্থায় গতকাল ন্যায়সঙ্গত ব্যাখ্যা ছাড়াই আমাকে বহিষ্কার করা হয়। নতুন বাংলাদেশ ও ইতিবাচক ছাত্র রাজনীতির স্বপ্ন নিয়ে আমরা রাজনীতিতে এসেছিলাম; কিন্তু সমালোচনার কারণে অন্যায়ভাবে বহিষ্কার হলে তা শুধু আমার নয়, সমগ্র ছাত্র রাজনীতির ভবিষ্যতের জন্যই উদ্বেগজনক। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আমার মতপ্রকাশ ও ন্যায়বিচারের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থি।

     

    উল্লেখ্য,তিনি ফেইসবুকের ওই পোস্টে বলেন, ছাত্রশক্তি গঠনের লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন তৈরি করা। তবে শুরু থেকেই ঢাবি-কেন্দ্রিক কোরাম, একচেটিয়া নেতৃত্ব ও সমালোচনা দমনের সংস্কৃতি সেই লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে। যোগ্যতার পরিবর্তে ঢাবিয়ান পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া এবং শীর্ষ নেতাদের কর্পোরেট বসসুলভ আচরণ, ফান্ডিং ও কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে উদাসীনতা সংগঠনের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে।

     

     

     

    প্রতিদিনের ক্যাম্পাস //এএস